Sunday, 14 June 2015
Monday, 1 June 2015
অবহেলা
Edit Posted by faysal sadik with No commentsশূন্যতা......
Edit Posted by faysal sadik with No commentsSunday, 31 May 2015
Very True
Edit Posted by faysal sadik with No commentsIllusion
Edit Posted by faysal sadik with No commentsSaturday, 30 May 2015
Do you know How much I miss you
Edit Posted by faysal sadik with No commentsLove: Eternal thirst of human
Edit Posted by faysal sadik with No commentsNature: The ornament of universe
Edit Posted by faysal sadik with No comments
সকাল থেকেই ঝুম বৃষ্টি হচ্ছে। থামার কোন নামই নেই।
প্রিয়ন্তী চুপ করে রুমে বসে আছে। উত্তরের জানালাটা খোলা। বৃষ্টির ঝাপটায় মাঝে মাঝে বিছানায় এসে পড়ছে।
বৃষ্টি হলে আমার মন ভালো হয়ে যায়। কিন্তু আজ মনটা খারাপ হয়ে গেল। কেন খারাপ হলো ?
কিছু কিছু সময় কারণ ছাড়ায় মন খারাপ হয়। আবার ভালোও হয়ে যায়।
“আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই“। আমার বাড়ির সবাইকে জানিয়েছি। তোমার বাড়িতে বলার আগে তোমাকে জানানোটা দরকার তাই জানালাম।”
এই কথাগুলো শুধু মাথার ভিতরে ঘুরছে।
গত কাল আমার বান্ধবী সূরমার বাড়িতে গিয়েছিলাম। ওদের বাড়িতে আমি মাঝে মাঝেই যায়। যাবার একটা কারণ ও আছে। ওদের বাড়ির চিলে কৌঠায় লাইব্রেরী আছে । সুন্দর সুন্দর বই।
অবশ্য লাইব্রেরীটা ওর ভাইয়ের। আমি কলেজ থেকে ফেরার পথে প্রায় পড়ার জন্য বই নিয়ে আসি। একটা বই পড়া শেষ হলে আবার পাল্টে আনি।
পরীক্ষা শেষ হবার পরে আর ক্লাস করতে কলেজে যাওয়া হয় নাই।
বাড়িতে বসে থাকতে ভালো লাগছিল না। তাই ভাবলাম সূরোদের বাড়ি যায়। ওর সাথে দেখাও হবে, বইও এনে বাড়ি বসে পড়তে পারবো। শ্রাবণ মাসের বৃষ্টির কথা তো সবাই জানেই। বৃষ্টির সময় ঘরে বসে বই পড়ার মজাটাই অন্য রকম।
সূরোর সাথে কথা বলে যখন দু’জন ছাদে গেলাম তখন সূরোর ভাই লাইব্রেরী ঘরে বসে বই পড়ছে।
আজ শুক্রবার। তাই রাজ ভাইয়ের অফিস যাবার তাড়া নেই ।
চিলেকোঠার ঘর সাধারণ যেমন হয় তার থেকে এই ঘরটা বেশ বড়ো। দরজা দিয়ে ঢুকতে প্রথমে চোখে পড়বে ঘরের মাঝে রাখা একটি লম্বা মতো টেবিল। টেবিলের দুই পাশে দুইটা করে চারটা চেয়ার।
চার দিকে থাক আর থাকে থাকে বই।
দরজার ঠিক ডান পাশে দেয়াল ঘেষে একটা এক বেডের বিছানা আর একটা বালিস। শুনেছি পড়ার জন্য রাজ ভাইয়া মাঝে মাঝে এই ঘরে থাকে।
আমি ঘরে ঢুকে বই দেখছিলাম কোন কোন টা নেওয়া যায়।
তুই বই দেখ আমি খাবার জন্য কিছু নিয়ে আসি বলেই সূরো নিচে চলে গেল । রাজ ভাইয়ের সাথে সহজ ভাবেই কথা হয় । উনার সাথে আমার কথা বলতে বেশ ভালো লাগে। উনি বই পড়ছিলেন।
আমি নিজের কাজ করতে লাগলাম।
শরৎবাবুর বই আমার সব সময়ই ভালো লাগে। তার উপর বৃষ্টির দিনে একটা বই বার বার পড়তেও আমার আপত্তি নেই।
বই পড়া রেখে রাজ ভাই বললো, তোমার সাথে আমার একটা কথা আছে।
আমি ঘুরে দাঁড়িয়ে বললাম, জি বলেন।
তখনি উপরের কথাগুলো বললো,
“আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই। আমার বাড়ির সবাইকে জানিয়েছি। তোমার বাড়িতে বলার আগে তোমার জানানোটা দরকার তাই জানালাম।”…
প্রিয়ন্তী চুপ করে রুমে বসে আছে। উত্তরের জানালাটা খোলা। বৃষ্টির ঝাপটায় মাঝে মাঝে বিছানায় এসে পড়ছে।
বৃষ্টি হলে আমার মন ভালো হয়ে যায়। কিন্তু আজ মনটা খারাপ হয়ে গেল। কেন খারাপ হলো ?
কিছু কিছু সময় কারণ ছাড়ায় মন খারাপ হয়। আবার ভালোও হয়ে যায়।
“আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই“। আমার বাড়ির সবাইকে জানিয়েছি। তোমার বাড়িতে বলার আগে তোমাকে জানানোটা দরকার তাই জানালাম।”
এই কথাগুলো শুধু মাথার ভিতরে ঘুরছে।
গত কাল আমার বান্ধবী সূরমার বাড়িতে গিয়েছিলাম। ওদের বাড়িতে আমি মাঝে মাঝেই যায়। যাবার একটা কারণ ও আছে। ওদের বাড়ির চিলে কৌঠায় লাইব্রেরী আছে । সুন্দর সুন্দর বই।
অবশ্য লাইব্রেরীটা ওর ভাইয়ের। আমি কলেজ থেকে ফেরার পথে প্রায় পড়ার জন্য বই নিয়ে আসি। একটা বই পড়া শেষ হলে আবার পাল্টে আনি।
পরীক্ষা শেষ হবার পরে আর ক্লাস করতে কলেজে যাওয়া হয় নাই।
বাড়িতে বসে থাকতে ভালো লাগছিল না। তাই ভাবলাম সূরোদের বাড়ি যায়। ওর সাথে দেখাও হবে, বইও এনে বাড়ি বসে পড়তে পারবো। শ্রাবণ মাসের বৃষ্টির কথা তো সবাই জানেই। বৃষ্টির সময় ঘরে বসে বই পড়ার মজাটাই অন্য রকম।
সূরোর সাথে কথা বলে যখন দু’জন ছাদে গেলাম তখন সূরোর ভাই লাইব্রেরী ঘরে বসে বই পড়ছে।
আজ শুক্রবার। তাই রাজ ভাইয়ের অফিস যাবার তাড়া নেই ।
চিলেকোঠার ঘর সাধারণ যেমন হয় তার থেকে এই ঘরটা বেশ বড়ো। দরজা দিয়ে ঢুকতে প্রথমে চোখে পড়বে ঘরের মাঝে রাখা একটি লম্বা মতো টেবিল। টেবিলের দুই পাশে দুইটা করে চারটা চেয়ার।
চার দিকে থাক আর থাকে থাকে বই।
দরজার ঠিক ডান পাশে দেয়াল ঘেষে একটা এক বেডের বিছানা আর একটা বালিস। শুনেছি পড়ার জন্য রাজ ভাইয়া মাঝে মাঝে এই ঘরে থাকে।
আমি ঘরে ঢুকে বই দেখছিলাম কোন কোন টা নেওয়া যায়।
তুই বই দেখ আমি খাবার জন্য কিছু নিয়ে আসি বলেই সূরো নিচে চলে গেল । রাজ ভাইয়ের সাথে সহজ ভাবেই কথা হয় । উনার সাথে আমার কথা বলতে বেশ ভালো লাগে। উনি বই পড়ছিলেন।
আমি নিজের কাজ করতে লাগলাম।
শরৎবাবুর বই আমার সব সময়ই ভালো লাগে। তার উপর বৃষ্টির দিনে একটা বই বার বার পড়তেও আমার আপত্তি নেই।
বই পড়া রেখে রাজ ভাই বললো, তোমার সাথে আমার একটা কথা আছে।
আমি ঘুরে দাঁড়িয়ে বললাম, জি বলেন।
তখনি উপরের কথাগুলো বললো,
“আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই। আমার বাড়ির সবাইকে জানিয়েছি। তোমার বাড়িতে বলার আগে তোমার জানানোটা দরকার তাই জানালাম।”…
এমন কাউকে খুজি
Edit Posted by faysal sadik with No commentsএমন কাউকে খুজি
যে হবে আমার
বোধের অংশীদার।
এমন কাউকে খুজি
যার চোখ দেবে
কর্মের প্রবর্তনা।
এমন কাউকে খুজি
যার মুখ চেয়ে
জীবনকে আগলাবো।
এমন কাউকে খুজি
যে বাড়াবে তার
কম্পিত ঠোট জোড়া।
এমন কাউকে খুজি
যার হাত ধরলে
শিল্পে সাহস পাবো।
যে হবে আমার
বোধের অংশীদার।
এমন কাউকে খুজি
যার চোখ দেবে
কর্মের প্রবর্তনা।
এমন কাউকে খুজি
যার মুখ চেয়ে
জীবনকে আগলাবো।
এমন কাউকে খুজি
যে বাড়াবে তার
কম্পিত ঠোট জোড়া।
এমন কাউকে খুজি
যার হাত ধরলে
শিল্পে সাহস পাবো।
আমি আর কতোটুকু পারি
Edit Posted by faysal sadik with No commentsআমি আর কতোটুকু পারি ?
কতোটুকু দিলে বলো মনে হবে দিয়েছি তোমায়,
আপাতত তাই নাও যতোটুকু তোমাকে মানায়।
কতোটুকু দিলে বলো মনে হবে দিয়েছি তোমায়,
আপাতত তাই নাও যতোটুকু তোমাকে মানায়।
ওইটুকু নিয়ে তুমি বড় হও,
বড় হতে হতে কিছু নত হও
নত হতে হতে হবে পৃথক পাহাড়,
মাটি ও মানুষ পাবে, পেয়ে যাবে ধ্রুপদী আকাশ।
আমি আর কতোটুকু পারি ?
এর বেশি পারেনি মানুষ।
পৃথক পাহাড় – হেলাল হাফিজ
বড় হতে হতে কিছু নত হও
নত হতে হতে হবে পৃথক পাহাড়,
মাটি ও মানুষ পাবে, পেয়ে যাবে ধ্রুপদী আকাশ।
আমি আর কতোটুকু পারি ?
এর বেশি পারেনি মানুষ।
পৃথক পাহাড় – হেলাল হাফিজ
পাখির মত
Edit Posted by faysal sadik with No commentsপাখির মত উড়ে যেতে ইচ্ছে করে সেই সুদূর হিমালয়কাশে,
যেখানে তুমি রাতদিন অপেক্ষা কর, শুধু আমার জন্য।
যেখানে আমি ছাড়া সকল কিছুই মিথ্যা,
কেবলই অর্থহীন অন্য কারো প্রতিক্ষা।
যেখানে তুমি রাতদিন অপেক্ষা কর, শুধু আমার জন্য।
যেখানে আমি ছাড়া সকল কিছুই মিথ্যা,
কেবলই অর্থহীন অন্য কারো প্রতিক্ষা।
Subscribe to:
Comments (Atom)






